১৯৫৪ বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের দখলে থাকা রেকর্ড ভাঙল আর্জেন্টিনা
রোববার সকালে ২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ কোয়ার্টার ফাইনালে কানসাস সিটিতে ১০ জনের সুইসদের প্রতিরোধ ভেঙে ৩-১ গোলে জিতেছে আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত সময়ে ১-১ ব্যবধানে সমতার পর অতিরিক্ত সময়ে গড়ানো ম্যাচ রাঙিয়ে সেমিফাইনালে পা রেখেছে তারা। একইসঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে টিকে থাকা একটি রেকর্ডও নিজেদের করে নিয়েছে দলটি। বিশ্বকাপের মঞ্চে খেলা সবশেষ ১২টি ম্যাচের প্রতিটিতে অন্তত দুটি করে গোল করেছে আর্জেন্টিনা। এর মাধ্যমে তারা এই টুর্নামেন্টের ইতিহাসে টানা সবচেয়ে বেশি ম্যাচে একাধিক গোল করার রেকর্ড গড়েছে। এর আগে ১৯৩০ থেকে ১৯৫৪ সালের মধ্যে উরুগুয়ে টানা ১১টি ম্যাচে অন্তত দুটি করে গোল পেয়েছিল। এই অপ্রতিরোধ্য যাত্রার শুরুটা হয়েছিল গত ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে। মেক্সিকোকে ২-০ গোলে হারানোর পর একই ব্যবধানে পোল্যান্ডকে পরাস্ত করে তারা। তারপর চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে নকআউট পর্বে অস্ট্রেলিয়া ও নেদারল্যান্ডসের জালে দুবার করে এবং ক্রোয়েশিয়া ও ফ্রান্সের জালে তিনবার করে বল পাঠায় দলটি।

রোববার সকালে ২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ কোয়ার্টার ফাইনালে কানসাস সিটিতে ১০ জনের সুইসদের প্রতিরোধ ভেঙে ৩-১ গোলে জিতেছে আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত সময়ে ১-১ ব্যবধানে সমতার পর অতিরিক্ত সময়ে গড়ানো ম্যাচ রাঙিয়ে সেমিফাইনালে পা রেখেছে তারা। একইসঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে টিকে থাকা একটি রেকর্ডও নিজেদের করে নিয়েছে দলটি।
বিশ্বকাপের মঞ্চে খেলা সবশেষ ১২টি ম্যাচের প্রতিটিতে অন্তত দুটি করে গোল করেছে আর্জেন্টিনা। এর মাধ্যমে তারা এই টুর্নামেন্টের ইতিহাসে টানা সবচেয়ে বেশি ম্যাচে একাধিক গোল করার রেকর্ড গড়েছে। এর আগে ১৯৩০ থেকে ১৯৫৪ সালের মধ্যে উরুগুয়ে টানা ১১টি ম্যাচে অন্তত দুটি করে গোল পেয়েছিল।
এই অপ্রতিরোধ্য যাত্রার শুরুটা হয়েছিল গত ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে। মেক্সিকোকে ২-০ গোলে হারানোর পর একই ব্যবধানে পোল্যান্ডকে পরাস্ত করে তারা। তারপর চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে নকআউট পর্বে অস্ট্রেলিয়া ও নেদারল্যান্ডসের জালে দুবার করে এবং ক্রোয়েশিয়া ও ফ্রান্সের জালে তিনবার করে বল পাঠায় দলটি।
